কোটা-ইমরান মাহমুদ-পিডিএফ ডাউনলোড

0
71
Quota-pdf-download

কোটা-ইমরান মাহমুদ-বই থেকে…
রনির মাস্টার্স শেষ ৩ বছর হয়েছে। নিয়মিত বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে আসা যাওয়া করে। আসা যাওয়া বলতে- সকাল সাতটায় ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করে আটটায় রুম থেকে বের হয়ে লাইব্রেরিতে যায় আবার রুমে আসে রাত নয়টায়। সারাদিন পড়াশোনা শেষ করে চাকুরির বিভিন্ন ওয়েবসাইটে একটু ঘুরাঘুরি করে; উদ্দেশ্য কোন চাকুরির খোঁজ পাওয়া যায় কি না।

মাস্টারস শেষ হওয়ার পর এই তিন বছরের সময়ে কত শত ইন্টারভিউ যে সে দিয়েছে তা যদি রনি লিখে রাখতে পারত তাহলে হয়ত একটি ডায়েরি সমাপ্ত হত। ভাগ্যিস রনির ডায়েরি লেখার অভ্যাস নেই। কোন পরীক্ষায় রনি অনেক ভাল করেছে, ভাইভা পর্যন্ত ফেস করেছে আবার কোন কোন পরীক্ষায় মোটামোটি অবস্থানে থেকেছে। সব পরীক্ষায় যে সবসময় ভাল করেছে ব্যাপারটি কিন্তু এমন নয়। আর এমন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত একবার ভাল হয় আরেকবার খারাপ হয়। এই যে রনিই নিজেই তো সাক্ষী- ৩৩তম বিসিএসে সে ভাইভা পর্যন্ত গেল ভাইভাটাও অনেক ভাল হয়েছে বলে মনে হল কিন্তু তারপরের বিসিএসে তথা ৩৪তম এ তো প্রিলিমিনারিই টপকাতে পারলনা।

রনি থাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুহসিন হলে। মাস্টারস শেষ হলেও তিন বছর ধরে হলে থাকে। ফার্স্ট ইয়ার সেকেন্ড ইয়ার লাইফে যখন পলিটিক্স করত তখন রনির পাওয়ার ছিল সেই মাপের। হলে কোথাও কোন জুনিয়র পুলাপান দেখলে অনেক দূর থেকে এসে সালাম দিত। হলের কোন রুমে কে থাকবে, কোন রুমে কাদের মাস্টার্স শেষ এসব হিসাব নিকাশ করে কাকে কোন রুমে দিতে হবে সবকিছুই ছিল রনির হাতে। অনেক বড় ভাই মাস্টারস শেষ করেছে কিন্তু রুম ছাড়ে না এ নিয়া রনির ছিল তীব্র এক ঘৃণা। এসব বড় ভাইদের দেখলে ঘৃণায় বদহজম হওয়ার উপক্রম হত তার। কয়েকজন বড় ভাইকে সে নিজে ধমক দিয়েই বের করেছে তারপর এই রুমে লিগাল ছাত্রদের সিট করে দিয়েছে। এসব করতে গিয়ে সে কতেক সময় জুনিয়রদের হাসি মুখ দেখে মনে তৃপ্তি নিয়েছে আবার কতেক সময় সিনিয়র ভাইদের ভারি মুখ দেখে মনের মধ্যে ঘৃণা ও সমবেদনার সংমিশ্রণ ঘটিয়েছে।

Download

If you are having any issue with কোটা-ইমরান মাহমুদ-পিডিএফ ডাউনলোড, or Quota by imran mahmud download link is broken please leave a comment below.

Leave a Reply